দারিয়াপুর, মেহেরপুর, বাংলাদেশ hello@lichutola.com Admin Panel
  1. হোম
  2. বংশলতিকা
  3. আলিজান বিশ্বাস
Alijan Biswas
আলিজান বিশ্বাস
Alijan Biswas
প্রয়াত পুরুষ পিতৃবংশ 5th Generation
ব্যক্তিগত তথ্য
মৃত্যু 26 Jul 1998
পারিবারিক সারসংক্ষেপ
2
পিতামাতা
1
সন্তান
বংশলতিকায় ফিরুন
নোট

আলীজান বিশ্বাস এর জন্ম তারিখ জানা যায়নি। তিনি পেশায় শিক্ষক ছিলেন। দারিয়াপুর প্রাথমিক বিদ্যালয় এ প্রধান শিক্ষক হিসাবে দায়িত্ব পালন করেন। তার স্ত্রী চুয়াডাঙ্গা জেলার দামুড়হুদা উপজেলার মজলিসপুর গ্রাম নিবাসী মৃত আব্দুল জব্বার বিশ্বাসের কন্যা খাদিজা বেগম। বিবাহ তারিখ- ২০ শ্রাবন ১৩৫৮ বঙ্গাব্দ। তিনি ১৯৯৬ খ্রিষ্টাব্দে পবিত্র হজ পালন করেন। হাজী আলীজান বিশ্বাস জীবিত থাকা কালীন দীর্ঘদিন দায়িাপুর উত্তরপাড়া জামে মসজিদ এর সভাপতি পদে দায়িত্ব পালন করেন। এলাকার কবরস্থানের উন্নয়নে নিজস্ব সম্পত্তি অনুদান দেন। এছাড়া তিনি প্রায়শঃ হতদরিদ্র মানুষের সহায়তার জন্য নিঃস্বার্থভাবে পাশে দাড়াতেন। প্রতি বছর নির্দিষ্ট একটি দিনে তিনি স্থানীয় ফকির-মিসকিন, অসহায়-হতদরিদ্র, নাবালক-শিশু দের উদ্দ্যেশে প্রীতিভোজ এর আয়োজন করতেন। এটা উনার পিতা মরহুম হাজেরুদ্দীন বিশ্বাস এর আমল থেকে হয়ে আসে। পরিবারে ভাইদের ভিতর বড় হওয়ায় একমাত্র তিনিই এই প্রথা চালু রেখেছিলেন। তিনি তালিকাভুক্ত মুক্তিযোদ্ধা না হলেও বাংলাদেশের স্বাধীনতা সংগ্রামে বড় ধরনের ভূমিকা রাখেন। ১৯৭১ সালে ১০এপ্রিল বাংলাদেশের প্রথম সরকার গঠন করা হয় এবং নবগঠিত সরকার এর শপথ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয় মুজিবনগর আম্রকাননে । এই আয়োজনে ভারত সরকারের সহযোগিতা প্রয়োজন ছিল। মুজিবনগর এর আনুষ্ঠানিকতার প্রস্তুতি ও সফলভাবে সম্পন্ন করার জন্য ভারত সরকারকে অবগত করানো জরুরীভাবে প্রয়োজন হয়ে পড়েছিল। কিন্তু তখনকার সময় এই সীমান্তবর্তী এলাকায় যোগাযোগের চিঠি ছাড়া অন্য কোন মাধ্যম পাওয়া যায়নি। জীবনের মায়ায় কোন ব্যাক্তি সেই চিঠি নিয়ে যেতেও প্রস্তুত হয়নি। তৎকালীন এম এন এ ছহিউদ্দীন বিশ্বাস সহ স্থানীয়দের অনুরোধে মেহেরপুর এসডিও জনাব তৌফিক এলাহির লিখিত চিঠি নিয়ে দুই অকুতভয় স্বাধীনচেতা মানুষ এই চিঠি ভারত সরকারের কাছে পৌছানোর দায়িত্ব নেন। সেই দুই বীর বাঙালীর একজন ছিলেন আলীজান বিশ্বাস এবং অপরজন একই গ্রামের ডাঃ শামসুল হুদা। বাঙালীর ইতিহাসের স্বাক্ষী এই ব্যাক্তি মৃত্যু বরণ করেন ২৬ জুলাই ১৯৯৮খৃষ্টাব্দ।